Thursday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৫ এ ০৩:৫৮ PM

উফশী জাত উদ্ভাবনের ফলে আঠারো থেকে বিশ কোটি মানুষের খাদ্য সংস্থান করা সম্ভব হয়েছে ---------------- কৃষি সচিব

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০১-১০-২০২৫ আর্কাইভ তারিখ: ৩০-০৬-২০২৬

               কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান বলেছেন, ১৯৭৪ সালে দুবেলা খাবার পাওয়া এদেশের সাধারণ মানুষের জন্য একটি বড় চ্যালেন্জ ছিল। কৃষি বিজ্ঞানীদের নতুন নতুন উফশী জাত উদ্ভাবনের ফলে বর্তমান সময়ে আঠারো থেকে  বিশ কোটি মানুষের খাদ্য সংস্থান করা সম্ভব হয়েছে । এখন আমাদের খাদ্যে বৈচিত্র এসেছে। রাসয়নিক সারের আমদানি কমাতে মাঠ পর্যায়ে সঠিক ও পরিমিত ব্যবহারের উপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। কৃষি সচিব ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে খুলনার শিববাড়ি মোড়স্থ সিটি ইন হোটেলে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘Transforming Bangladesh Agriculture: Outlook 2050’ শীর্ষক সেমিনারে  প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন।  কৃষি মন্ত্রণালয়ের পিপিসি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মো: মাহমুদুর রহমান সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন Lyjbv বিভাগীয় কমিশনার Rbve †gv. wd‡ivR miKvi ও জেলা প্রশাসক, খুলনা ড. মো. তৌফিকুর রহমান।


               কৃষিখাত দেশের অর্থনীতি, খাদ্যনিরাপত্তা ও কর্মসংস্থানে মৌলিক ভূমিকা পালন করে আসছে। দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব, আবাদযোগ্য জমির হ্রাস, নগরায়ণ, পানির ঘাটতি এবং বাজারের অনিশ্চয়তা ভবিষ্যতের কৃষি ব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। একই সঙ্গে প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি, স্মার্ট কৃষি যন্ত্রপাতি, জেনেটিক অগ্রগতি, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি—এগুলো কৃষিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি করছে উল্লেখ করে কৃষি সচিব আরো বলেন, নতুন নতুন গৃহীত প্রকল্পগুলো পরিবেশের উপর কোন দীর্ঘমেয়াদী বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করছে কিনা সে বিষয়গুলো এ পরিকল্পনায় আনতে হবে। বর্তমানে কৃষি উন্নয়ন কোন নির্দিষ্ট লক্ষ্য ছাড়াই নির্ধারণ  হচ্ছে। ২০৫০ সালে আমরা কৃষিকে যে অবস্থানে দেখতে চাই সেটা আগে নির্ধারণ করে কৃষির প্রকল্প ও প্রযুক্তি গ্রহণ করতে উপস্থিত সকলের প্রতি তিনি আহবান জানান।


                সেমিনারে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্ম সচিব, উপ সচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব, বিএডিসি’র চেয়ারম্যান, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের পরিচালক, অতিরিক্ত পরিচলক, কৃষি তথ্য সার্ভিসের উপপরিচালকসহ ডিএই’র জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ ও অগ্রগামী কৃষক/কৃষাণীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে কৃষি সচিব খুলনার দৌলতপুরস্থ  হর্টিকালচার সেন্টার ও কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ও পরে খুলনা অঞ্চলের কৃষি মন্ত্রণালয়ধীন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ে অংশগ্রহণ করেন।

সংবাদদাতাঃ শারমিনা শামিম, আঞ্চলিক বেতার কৃষি অফিসার, কৃতসা,খুলনা।

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন