মেনু নির্বাচন করুন
খবর

খুলনায় কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের ফ্রেশকাট প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপনন অধিদপ্তরের ফ্রেশকাট শাক-সব্জি ও ফলমূল প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপনন সম্প্রসারণ কর্মসুচী এর আওতায় খুলনাস্থ ড্যাম অডিটরিয়ামে দিনব্যাপী এক কর্মশালা গত ৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কৃষি বিপনন অধিদপ্তর,খুলনা বিভাগের উপপরিচালক(উপ সচিব) সুশান্ত কুমার কুন্ডু প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মশালার উদ্ভোধন করেন। প্রকল্পের কর্মসূচী পরিচালক তৌফিক মোঃ রাশেদ খান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার উপপরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আব্দুর লতিফ। কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, কৃষি বিপনন অধিদপ্তর খামারবাড়ি ঢাকার উপপরিচালক দেওয়ান আসরাফুল হোসেন। এ সময় তিনি বলেন,দেশে প্রচলিত ও অপ্রচলিত মিলিয়ে প্রায় ৯০টির মত সব্জির চাষ হয়ে থাকে, এর মধ্যে ৩০-৩৫টি প্রধান সব্জির আবাদ বেশী হয়ে থাকে যার বাৎসরিক উৎপাদন আলুবাদে প্রায় ৪০ লক্ষ মে.টন। সেইসাথে ১.৩৭ লক্ষ হেক্টরে ৭০ প্রকারের ফলের চাষ হয় যার বাৎসরিক উৎপাদন প্রায় ৪৮ লক্ষ মে.টন। বর্তমানে আমাদের দেশে বড় বড় শহরগুলোতে মানুষের কর্মব্যস্ত জীবনে বহুমূখী খ্যাদাভাস বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারনে সময় সাশ্রয়, সহজে রন্ধনযোগ্য, সংরক্ষণ, অপচয় কমিয়ে পরিবেশ বান্ধব খাদ্য গ্রহনে ফ্রেশকাটের চাহিদা প্রতিদিন বাড়ছে। তিনি বলেন, সতেজভাবে, স্বাদ, গন্ধ ও পুষ্টিমান বজায় রেখে তাজা সব্জি ও ফলকে ব্যবহার উপযোগী টুকরো করে প্যাকেট বা মোড়কে সুসজ্জিত অবস্থায় ভোক্তার নিকট উপস্থাপন পক্রিয়াকে জনপ্রিয় করতে সরকার এ কর্মসূচী গ্রহন করেছেন। কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা বিভাগীয় উপপরিচালক বলেন, এ কর্মসূচীর মাধ্যমে কৃষক, ক্ষুদ্র ও মাঝারী কৃষি প্রক্রিয়াজাতকারীদের মাঝে ফ্রেশকাট শাক-সব্জি ও ফলমূলের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণের জ্ঞান সম্প্রসারণসহ সংগ্রহোত্তর ক্ষতি কমানো সম্ভব হবে। এ কর্মসূচী দেশের ৪টি বিভাগের ঢাকা, নরসিংদী, খুলনা, রংপুর ও কুমিল্লা জেলা শহরে বাস্তবায়িত হচ্ছে। তিনি বলেন, কর্মসূচী এলাকায় প্রক্রিয়াজাতকৃত ফ্রেশকাট শাক-সব্জি বিশেষকরে মিশ্র সব্জি ও সালাদ, বিভিন্ন ধরনের পাতাযুক্ত শাকসব্জি, কচুর লতি এবং ফল-মূলের মধ্যে কাঁঠাল, আনারস, পেঁপে, আম, তরমুজসহ অন্যান্য ফল স্থানীয় ও ঢাকার বাজারের সুপার শপগুলোতে সরবরাহের মাধ্যমে বাজার সংযোগ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। কর্মশালায় কৃষি তথ্য সার্ভিস, ডিএই খুলনার মেট্রোপলিটন কৃষি অফিস,দৌলতপুর খুলনার কর্মকর্তা, বিএডিসি, সরেজমিন গবেষণা বিভাগ বারি দৌলতপুর, জেলা তথ্য অফিস, সিটি কর্পোরেশন এর বাজার নিয়ন্ত্রন কর্মকর্তা, স্থানীয় ডিপার্টমেন্টাল ষ্টোরের কর্মকর্তা ও প্রকল্পের আওতাভুক্ত কৃষকগ্রুপসহ ৪০ জন অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় কারিগরী সেশনে গ্রুপভিত্তিক ডিসকারশন অনুষ্ঠিত হয়।

ছবি


ফাইল


প্রকাশনের তারিখ

২০১৭-১২-১১

আর্কাইভ তারিখ

২০১৮-০৬-১১


Share with :

Facebook Twitter